Siddharth Shukla: খুন করা হয়েছে সিদ্ধার্থকে? সুশান্তের মৃত্যু প্রসঙ্গ টেনে কাঠগড়ায় কুপার হাসপাতাল

Loading...

দু’জনেই তরুণ অভিনেতা। দু’জনেই ছোটপর্দা থেকে উঠে এসে নিজের জায়গা তৈরি করে নিয়েছিলেন বড়পর্দায়। দু’জনেই আচমকা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন । প্রথম জন সুশান্ত সিংহ রাজপুত এবং দ্বিতীয় জন সিদ্ধার্থ শুক্ল। দুই অভিনেতার এই সাদৃশ্যগুলি চমকে দিচ্ছে অনুরাগীদের। ফলে সিদ্ধার্থের মৃত্যুর দিন শিরোনামে সুশান্ত সিংহ রাজপুত। শুধু সুশান্ত নয়, নেটমাধ্যমে সব চেয়ে চর্চিত বিষয় মুম্বইয়ের কুপার হাসপাতাল।

বৃহস্পতিবার সকালে সিদ্ধার্থকে কুপার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই অভিনেতাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ময়নাতদন্ত হবে সেখানেই। সিদ্ধার্থের পরিবার জানিয়ে দিয়েছে, তাঁর মৃত্যু কোনও অস্বাভাবিক কারণে হয়নি। কিন্তু নেটাগরিকদের একাংশ ইতিমধ্যেই তরুণ অভিনেতার আকস্মিক মৃত্যুকে ‘খুন’ বলে চিহ্নিত করছেন। তাঁরা মনে করছেন, সিদ্ধার্থের মৃত্যুর ‘আসল কারণ’ আড়াল করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

Loading...

গত বছর সুশান্তের মৃত্যুর পরেও তাঁর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কুপার হাসপাতালে। সেখানে হাসপাতালে র মর্গে সুশান্তের মৃতদেহের পাশে দেখা গিয়েছিল তাঁর প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তীকে। সেই দৃশ্যের ছবি ছড়িয়ে পড়তেই আঙুল ওঠে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দিকে। রাজ্য মানবাধিকার কমিশন হাসপাতালের ডিন এবং মুম্বই পুলিশকে শো-কজ নোটিস পর্যন্ত পাঠায়। অনেকেই মনে করেছিলেন, কুপার হাসপাতালের চিকিৎসক এবং কর্মীরাই সুশান্তের ময়নাতদন্তে কারসাজি করে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ আড়াল করেছেন। কয়েক জন দাবি করেছিলেন, অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে যাওয়ার সময় জীবিত ছিলেন সুশান্ত। ওই হাসপাতালে পৌছনোর পরেই নাকি মৃত্যু হয় তাঁর।

অতীতে পারভিন ববি, দিব্যা ভারতীকেও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেই একই হাসপাতালে। ঘটনাচক্রে, দুই অভিনেত্রীর মৃত্যু নিয়ে এখনও প্রচুর প্রশ্ন, সন্দেহ বাসা বেঁধে আছে অনুরাগীদের মনে। ফলে সুশান্তের মৃত্যুর পরেও এই হাসপাতালকে নিয়ে যেমন জল্পনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল, ঠিক তেমনই এক বছর পরে সিদ্ধার্থের আকস্মিক মৃত্যুর থিতিয়ে পড়া সেই জল্পনাকেই যেন আরও উস্কে দিল।

Loading...

সুশান্তের মৃত্যুর ঘটনা উঠে এল সিদ্ধার্থের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে।

Loading...
Loading...
Share

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *