নাবালিকাকে জোর করে বিয়ে! অভিযুক্ত পাক নেতা

Loading...

ইমরান খানের দল তাহরেক-ই-ইনসাফ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ। পাকিস্তানের বাসিন্দা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক খ্রিস্টান দম্পতির নাবালিকা কন্যাকে অপহরণের পর জোর করে ধর্মান্তরণ ও বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই PTI নেতার ছেলের বিরুদ্ধে। পুলিশে অভিযোগ জানাতে গেলে তাদের ভয় দেখিয়ে পুরো ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে দেওয়ার জন্য হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। সংবাদমাধ্যম Dawn-এর রিপোর্ট অনুযায়ী এক ভিডিয়ো মেসেজের মাধ্যমে গোটা ঘটনার যে বিবরণ দিয়েছেন অপহৃতা কিশোরীর বাবা-মা তা শুনে শিউরে উঠতে হয়।

পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের আরও একটি ঘটনা প্রকাশ্যে এল। জোর করে হিন্দু ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নাবালিকা তরুণীদের অপহরণ করে ধর্মান্তকরণ এবং অপহরণকারীদের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ প্রায়শই সামনে আসছে। সংবাদমাধ্যম Dawn-এর রিপোর্টে তেমনই একটি ঘটনা সামনে এসেছে। গাজির বাসিন্দা অপহৃতা কিশোরীর মা জানিয়েছেন, এলাকারই ইসলামধর্মাবলম্বী পরিবার তাদের কন্যাকে অপহরণ করেছে। শুধু তাই নয়, ধর্মান্তকরণের পর জোর করে তাঁর বিয়েও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কিশোরীর মা। পুরো ঘটনায় ইমরান খানের দল Tehreek-e-Insaf (PTI)-এর এক নেতার ছেলেও রয়েছেন বলে অভিযোগ। প্রভাবশালী এই রাজনৈতিক নেতার কারণে পুলিশে অভিযোগ জানাতে গেলে তাদের বিষয়টি নিয়ে আর না এগোনোর হুঁশিয়ারি দিয়ে ধমকে চমকে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয় থানা থেকে।

Loading...

কিশোরীর মা সংবাদ সংস্থার সঙ্গে কথা বলার সময় জানিয়েছেন, প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে তাঁর কিশোরী মেয়েকে ভাগিয়ে নিয়ে গিয়েছে অভিযুক্ত। ভুল বুঝিয়ে ইসলাম ধর্ম নেওয়ানোর পর বিয়েও করেছে। কিশোরীর মায়ের দাবি, যদি তর্কের খাতিরে পুরোটাই প্রেমের ঘটনা বলে ধরেওনি তাহলেও নাবালিকা হওয়ায় তাঁর মেয়ের বিয়ে আইনসিদ্ধ নয়। জানা গিয়েছে, নবম শ্রেণীর পড়ুয়া কিশোরী গত ৩ অগাস্ট দুপুর থেকেই আচমকা বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যান।

পুলিশের সঙ্গে এবিষয়ে কথা বলা হলে তদন্তকারীরা বলেন, অপহরণ নয়, খ্রিস্টান মেয়েটি নিজেই পড়শি মুসলিম যুবকের সঙ্গে পালিয়েছিল। বলপূর্বক নয় বরং নিজের ইচ্ছেতেই ধর্মান্তরিত হওয়ার পর সোয়াবিতে কোর্ট ম্যারেজও করে। তবে এই ঘটনায় প্রমাণস্বরূপ বিয়ের কোনও আইনি কাগজপত্র তদন্তকারীরা পাননি।

Loading...
Loading...
Share

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *