‘তালিবান মুক্তমনা-প্রগতিশীল’! বাছা বিশেষণে প্রশংসায় পঞ্চমুখ চিন

Loading...

পাকিস্তানের পর এবার তালিবানদের ভূয়সী প্রশংসা করল চিন। বৃহস্পতিবার বেজিংয়ের তরফ থেকে বলা হয়েছে, ‘তালিবান আর আগের মতো নেই। কট্টরপন্থা কমার পাশাপাশি কূটনৈতিক বুদ্ধি বেড়েছে তালিবান যোদ্ধাদের। যুক্তি দিয়ে বিচার করার প্রবণতাও বেড়েছে’। আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখলের পর চিনের সঙ্গে তালিবান গোষ্ঠীর যোগাযোগ রয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। আফগান মুলুকে তালিবানের উত্থান প্রসঙ্গে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মন্তব্য, ‘কোনও কিছুই তো চিরকালের নয়’। এ প্রসঙ্গে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া চুনিয়াং বলেন, ‘কোনও সমস্যা নিয়ে আলোচনার সময় শুধুমাত্র অতীত নিয়ে ভাবলে চলবে না। বর্তমানে কী ঘটছে সেটাও দেখতে হবে। শুধুমাত্র শুনে কিছু বলাটা ঠিক না, স্বচক্ষে দেখাও তো জরুরি’।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই মুখপাত্র জানিয়েছিলেন, তালিবানদের গতিবিধির উপর প্রথম থেকেই নজর রাখছিল চিন। পরিবর্তিত পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে হুয়া বলেন, ‘আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে এটা পরিষ্কার যে বহির্বিশ্বের আফগানিস্তান নিয়ে যে ধারণা ছিল, তা সম্পূর্ণ ভুল’।

Loading...

তালিবানের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রসঙ্গে হুয়া জানান, কট্টরপন্থী সংগঠনের তরফ থেকে চিনকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে মানুষের সমস্যা মিটিয়ে একটি প্রগতিশীল ইসলামিক সরকার তৈরি করা হবে আফগানিস্তানে। মুখপাত্র বলেন, ‘রাশিয়ার কয়েকজন রাজনীতিক এবং আন্তর্জাতিক কিছু সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্টে কাবুলে তালিবানের প্রবেশ সম্পর্কে প্রশংসা করা হয়েছে। সত্যিই তাঁরা ইতিবাচক এবং যুক্তিসঙ্গত আচরণ করেছে’।

হুয়ার সংযোজন, ‘আফগানরা কী চাইছে সেটা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে আফগান-তালিবান ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবে না বলেই মনে হচ্ছে। গতবার ক্ষমতায় থাকাকালীন তালিবান যা ছিল। আজ নেই’। এদিকে নারীদের উন্নয়ন এবং অধিকার পাইয়ে দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও প্রশংসা করেছে চিন।

Loading...
Loading...
Share

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *