কাবুল বিমানবন্দরে গুলি মার্কিন সেনার, ‘ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে’ নিমরাজি বাইডেন

Loading...

আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মার্কিন কূটনীতিকদের সরিয়ে আনা হয়েছে। বর্তমানে তাঁদের একত্রিত করা হয়েছে কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এদিন ভোরবেলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে তালিবানকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যেন কোনওভাবেই কাবুল এয়ারপোর্টে ঢোকার চেষ্টা না করা হয়। এহেন পরিস্থিতিতে কাবুল বিমানবন্দরে গুলি চলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, মার্কিন হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও এদিন বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ। জানা গিয়েছে, তাঁরা বিমানবন্দরে ঢুকতে চাইলে শূন্যে গুলি চালায় US Troop। মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমেরিকার দূতাবাসের পক্ষ থেকে বাইডেনের দফতরকে জানানো হয়েছে যে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যাচ্ছে। এখানে গুলি চলছে। আমাদের লোকেদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে’। এদিন সংশ্লিষ্ট দফতরের মুখপাত্র নেড প্রাইস আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পেশ করে বলেন, ‘ আমরা নিজেদের মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনতে পেরেছি। আফগানিস্তানের সমস্ত জায়গায় থেকে মার্কিনীদের উদ্ধারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে কাবুলের রাশ তালিবানের হাতে যাওয়ার পর জো বাইডেনকে ধিক্কার জানাতে শুরু করেছিল সারাবিশ্ব। আমেরিকানদের তরফ থেকেও প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল। এবার সেই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন জো বাইডেন। তাঁর কথায়, ‘আমরা ২০ বছর আগে আফগানিস্তানে গিয়েছিলাম একজন জঙ্গিকে পাকড়াও করতে। দেশ সামলাতে নয়। ২০ বছর আগে যাঁদের বাবারা আফগানিস্তানে লড়ছিলেন, তাঁদের ছেলেরা আজ লড়ছেন। কয়েক ট্রিলিয়ন টাকা খরচ হয়েছে। টাকা এবং লোকবল অপচয় করার জায়গায় নেই আমেরিকা। আপনাদের মধ্যে অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন সেনা সরিয়ে নিলাম?

Loading...

…আপনারাই বলুন অন্য দেশের বিকাশ ঘটানো কি আমাদের দায়িত্ব? ওই দেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিক তাঁরা কী চায়। আমরা কেন নেব! আপনারা নিজেদের সন্তানকে পাঠাবেন আফগানিস্তানে? আমি অন্তত দেশের আরও এক প্রজন্মকে অন্যের যুদ্ধ লড়তে আফগানিস্তানে পাঠাব না’।

Loading...
Loading...
Share

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *